SHOP BY CATEGORY

সোনার চেইন : খন রঞ্জন রায় (২০২৫)

(0 Reviews)
In stock
Estimate Shipping Time: 1 days

Sold By:
Inhouse product

Price:
৳300.000 /pc
Discount Price:
৳225.000 /pc

Quantity:

Total Price:
Share:

সোনার চেইন (২০২৫)
বিষয়: গল্প
লেখক: খন রঞ্জন রায়
প্রচ্ছদ: মনিরুল মনির
সংস্করণ: প্রথম প্রকাশ জানুয়ারি ২০২৫
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১২০
ভাষা: বাংলা
আইএসবিএন: 978-984-97982-9-3

সৌভাগ্যবান আমি। নির্দ্বিধায়। যে-কোনো বিবেচনায়। কারণ, এই বইয়ের গল্পগুলোর প্রথম পাঠক আমি। বই বানানোর আগে। মাত্র ৮টি গল্প। খুব বেশি না। তবে বিষয়বৈচিত্র্যে সময়ের অনুসঙ্গ। একটি থেকে আরেকটি আরো প্রজ্বলিত। কৌতূহল জাগানিয়া। সৃষ্টির বৈচিত্র্য ভরা। কী ঘটনা! কী স্নিগ্ধ-সুন্দর ভাবভঙ্গির উপস্থাপনা।
গল্পসাহিত্যের বিস্তীর্ণ পটভূমির টানটান উত্তেজনা। প্রতিটি গল্প নিপুণ কৌশলী আর পাঠরসের ওড়াউড়ি তর্কাতীত। অন্যতম বৈশিষ্ট্য। অবেগি-প্রকৃতি-ইতিহাসশ্রয়ী-নারীপ্রেম-দেশপ্রেম-সমান্তরালভাবে বর্ণনা করেছেন। মর্মবেদনার তলেও জাগিয়ে রেখেছেন পাঠানন্দের ঢেউ।
প্রবন্ধ-সাহিত্যের ঠাটবাট ছেড়ে গল্পে অনিন্দ্যসুন্দর মেধা ঢেলেছেন। প্রতিটি গল্পের স্বকীয়ভাব এবং মৌলিক গুণাগুণগুলোতে আমি সম্মোহিত। আমার এই নিতান্ত চিন্তার সাথে আপনারাও একমত হবেন। গভীরভাবে প্রভাবিত হবেন। গল্পের ভেতর আলাদা করে গল্প খুঁজে পাবেন। আর হ্যাঁ, এই বিশ্বাস আমি দৃঢ়তায় লালন করি।
.
সেলিম শাহ আলম
কবি ও চিন্তক
..
খন রঞ্জন রায় :
১৯৬৭ সালের ২০ জুন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগরের ভোলাচং-এ জন্ম। বদলাবদলীর বাউন্ডুলে ভাবনা নিয়ে লেখাপড়া করেছেন নবীনগর ইচ্ছাময়ী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, নবীনগর সরকারি কলেজ, ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি-ঢাকা, ভাউয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ, ঢাকা কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।
দেশের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজিয়ে কর্মনির্ভর করার প্রস্তাবক, নির্ভীক-নিরলস-আদর্শের কর্মী। গত ত্রিশ বছর ধরে এই ভাবনা নিয়ে দেশের প্রায় প্রতিটি পত্রিকায় নিয়মিত প্রবন্ধ-নিবন্ধ-কলাম লিখে শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটি-বিচ্যুতির স্বরূপ সন্ধান করছেন।
যুক্তি-পরামর্শ তুলে ধরে পরিবর্তনের আকুতি জানাচ্ছেন। সময়ে সময়ে সরকারের নীতি-নির্ধারণীমহল বরাবরে সুনির্দিষ্ট শিক্ষা প্রস্তাব, দাবি-সুপারিশ উপস্থাপন করছেন। সরকার এবং কিছু সংস্থা উপস্থাপিত প্রস্তাবনা নীতিগতভাবে গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছেন।
সরকারি চাকরির অবসর সময়ে পারিবারিক ব্যবসা দেখাশোনা করেন। ওতপ্রোতভাবে জড়িত শিক্ষা, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সেবাধর্মী সংগঠনের সাথে। ঠাকুরদাদা-জগৎ চন্দ্র রায় ছিলেন রেলওয়ের একজন পদস্থ কর্মকর্তা। বাবা- প্রয়াত সাধন চন্দ্র রায়, মা-প্রয়াত শান্তি বালা রায়। স্ত্রী- মিত্রা দেব আর একমাত্র সন্তান ত্রিয়মা রায়'কে নিয়ে শৌখিন সংসার।

There have been no reviews for this product yet.