থিয়েটার: নাট্যচর্চার বাতিঘর (২০২৫)
বিষয়: গবেষণা
লেখক: অভিজিৎ সেনগুপ্ত
প্রচ্ছদ: রাজীব দত্ত
সংস্করণ: প্রথম প্রকাশ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩০৪
ভাষা: বাংলা
আইএসবিএন: 978-984-99974-3-6
বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীর সাথে গ্রুপ থিয়েটারচর্চারও ৫০ বছর পূর্ণ হয়েছে। বাংলাদেশের নাটক হয়ে উঠল সাবালক। স্বাধীন দেশের নাট্যচর্চার পঞ্চাশব ছরের সাথে সাথে বহুনাট্য-সংগঠনেরও পঞ্চাশ বছর পূর্ণ হয়েছে। বাংলাদেশের প্রথম সারির নাট্য সংগঠন 'থিয়েটার' পূর্ণ করল তার পথচলার পঞ্চাশ বছর ২০২২ খ্রিষ্টাব্দের ফেব্রুয়ারিতে। এটা একটা বড়প্রাপ্তি একটা সংগঠনের জন্য। বিভিন্ন চড়াই-উতড়াই পেরিয়ে এই পথচলা কেমন ছিল সেটা গবেষণার একটা বিষয় নিঃসন্দেহে। এই পাঁচ দশকে বাংলাদেশে ঘটে গেছে নানা ঘটনা প্রবাহ। সেই ঘটনা প্রবাহ ও সমাজ বাস্তবতা 'থিয়েটার'-এর নাট্যচর্চাকে কতটুকু প্রভাবিত করতে পেরেছে; এমনি হাজারো প্রশ্ন দর্শক ও পাঠকের থাকতে পারে।
'থিয়েটার : নাট্যচর্চার বাতিঘর'
একটা গবেষণাধর্মীগ্রন্থ। এটা কোন প্রবন্ধ সংকলন নয়। এই গ্রন্থের সময়কাল ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২২ খ্রিষ্টাব্দের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। বাংলাদেশের নাট্যাঙ্গনের অন্যতম সংগঠন 'থিয়েটার' গবেষণার কেন্দ্রবিন্দু।
..
অভিজিৎ সেনগুপ্ত বাংলাদেশের নাট্যচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম। এক সময় চেয়েছিলেন সার্বক্ষণিক রাজনৈতিক কর্মি হতে। কিন্তু সে পথে না গিয়ে নিয়মিত হয়ে গেলেন মঞ্চ নাটকের সঙ্গে। থিয়েটারকে কেন্দ্র করেই বাঁচতে চেয়েছেন বলেই ভর্তি হয়েছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগে।
নাট্যচর্চার পাশাপাশি নাট্যপত্রিকা প্রকাশনার ক্ষেত্রেও তিনি নিয়মিতভাবে কাজ করে চলেছেন। আশির দশকে নাট্যপত্রিকা 'থিয়েটার ফ্রন্ট'-এর সম্পাদনা পরিষদের অন্যতম সদস্য হিসেবে কাজ করেন। বর্তমানে তিনি নাট্য পত্রিকা 'ফ্রন্টলাইন থিয়েটার'-এর সম্পাদক।
১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দে গঠন করেন নিজ সংগঠন নান্দীমুখ। তারও আগে থেকে নাট্যচর্চায় যুক্ত ছিলেন নিরলসভাবে। সংগঠন, নাটক রচনা, অভিনয়, নির্দেশনা, সম্পাদনা সব কয়টি শাখায় নিজের যোগ্যতার ছাপ রেখেছেন। এক কথায় আপাদমস্তক থিয়েটারের একজন মানুষ।
নাট্যচর্চার স্বীকৃতি স্বরূপ- ২০১৪ সালে 'উত্তরাধিকার সম্মাননা', ২০১৬ সালে 'অরিন্দম সম্মাননা', ২০১৬ সালে থিয়েটার প্রবর্তিত "জাকারিয়া স্মৃতি পদক”, ২০১৭ সালে নাট্যকথা (ভারত) সম্মাননা, ২০১৭ সালে 'পিয়াস মিলন' স্মৃতি পদক অর্জন করেন।