শিরোনাম : বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী. উন্নয়ন অর্থনীতি বৈষম্যে সম্প্রীতি
বিষয় : প্রবন্ধ
লেখক : খন রঞ্জন রায়
প্রকাশক : খড়িমাটি
প্রচ্ছদ : খড়িমাটি
দ্বিতীয় সংস্করণ : ২০২২
পৃষ্ঠা সংখ্যা :
মূল্য : ৫০০/-
দেশ : বাংলাদেশ
ভাষা : বাংলা
ISBN : 9789849657088
উন্নয়নের সাথে অর্থনীতি সরাসরি সম্পৃক্ত।
ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বিত্ত-বৈভব-বিলাস যেমন জৌলুস বুঝায়, অন্ন-বস্তু, বাসস্থান, জীবনযাত্রার মান। বৃদ্ধি তেমনই ফ্যাকাসে ভাব নিয়ে উন্নয়নকে ম্যাড়মেড়ে প্রতিনিধিত্ব করে। ব্যাপক ফারাক জাগায়। সরল বিশ্বাসকে নির্জীব করে। এক জায়গায় অপার চাহিদা; অন্যস্থানে তা মৌলিক নিশ্চয়তা। পূর্বের অবস্থান উত্তরণ ঘটানোর জন্য বিদ্যমান চলমান রহস্যময় পরিস্থিতি তথ্য-উপাত্তের মাধ্যমে আত্মত্মবিশ্বাসী শক্তিতে মোকাবিলা করতে হয়। সার্বভৌম অধিকার অর্জনে বিশ্বের শক্তিধর নানা সংগঠনের শর্ত-তত্ত্বের বিপুল বেড়াজাল ছিন্ন করতে হয়। বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীকে আদর্শ ভেবে ব্যতিক্রম- কিছু উদাহরণ ছাড়া ভাবনাবিস্তারি সবই হয়েছে। বাস্তবতার তর্জনী ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। অবস্থানের বিস্ময়কর পরিবর্তন হচ্ছে। বিশ্বপ্রেক্ষাপট বিবেচনায় আলোচিত 'টেকসই' শব্দটি অপরিহার্য করতে আপনভাবে সর্বসাধ্য পরামর্শ এখানে আলোচিত হয়েছে সুনির্দিষ্টভাবে। তড়িৎগতির প্রভাব ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ হয়েছে। মানবপুঁজি আহরণ ও সঞ্চয়ের ওপর জোর দিতে তারুণ্যশক্তিকে অধিকতর সহায়তার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ বাড়াতে যুক্তিযুক্ত পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে।
উন্নত রাষ্ট্রের বিভোর স্বপ্নে অর্থ-সম্প্রীতির বিকাশধারা অব্যাহত রাখতে সর্বাগ্রে অপরিহার্য 'মধ্যবিত্ত থেকে গরিব হওয়া ঠেকানো'। প্রাসঙ্গিকভাবেই আর্থ- সামাজিক উন্নয়নের ভৌত ও মানবীয় সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ আলোকপাত হয়েছে। নীতি-নির্ধারণী মহল ও পাঠকসমাজ মূল্যায়নপূর্বক উপকৃত হবে; এ সাহসী আকাঙ্ক্ষা অধিক, ততোধিক।
.
খন রঞ্জন রায়:
১৯৬৭ সালের ২০ জুন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগরের ভোলাচং-এ জন্ম। বদলাবদলীর বাউন্ডুলে ভাবনা নিয়ে লেখাপড়া করেছেন নবীনগর ইচ্ছাময়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, নবীনগর সরকারি কলেজ, ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, ঢাকা, ভাউয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ, ঢাকা কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।
দেশের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজিয়ে কর্মনির্ভর করার প্রস্তাবক, নির্ভীক-নিরলস-আদর্শের কর্মী। গত ত্রিশ বছর ধরে এই ভাবনা নিয়ে দেশের প্রায় প্রতিটি পত্রিকায় নিয়মিত প্রবন্ধ-নিবন্ধ-কলাম লিখে শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটি-বিচ্যুতির স্বরূপ সন্ধান করছেন। যুক্তি-পরামর্শ তুলে ধরে পরিবর্তনের আকৃতি জানাচ্ছেন। কোন কোন ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আন্দোলনী সংগঠন দাঁড় করিয়েছেন। সময়ে সময়ে সরকারের নীতি-নির্ধারণীমহল বরাবরে সুনির্দিষ্ট শিক্ষা প্রস্তাব, দাবি-সুপারিশ উপস্থাপন করছেন। সরকার এবং কিছু সংস্থা উপস্থাপিত প্রস্তাবনা নীতিগতভাবে গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছেন।
সরকারি চাকরির অবসর সময়ে পারিবারিক ব্যবসা দেখাশোনা করেন। ওতপ্রোতভাবে জড়িত শিক্ষা, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সেবাধর্মী সংগঠনের সাথে। ঠাকুরদাদা-জগৎ চন্দ্র রায় ছিলেন রেলওয়ের একজন পদস্থ কর্মকর্তা। বাবা- প্রয়াত সাধন চন্দ্র রায়, মা- শান্তি বালা রায়। স্ত্রী- মিত্রা দেব আর একমাত্র সন্তান ত্রিয়মা রায়'কে নিয়ে শৌখিন সংসার।