ভাবসম্প্রসারণ বিষয় : প্রবন্ধ-নিবন্ধ লেখক : গোঁসাই পাহ্লভী প্রচ্ছদ : মুজিবুল হক সংস্করণ : এপ্রিল ২০১৫ পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১৮৪ ভাষা : বাংলা আইএসবিএন : ৯৭৮-৯৮৪-৩৩-৮৭৪০-০ . শব্দ কেমন? শব্দ কীভাবে আমাদের মধ্যে দ্যোতনা সৃষ্টি করে। এসব কথাই গোঁসাই পাহলভী লিখেছেন, তার আলোচ্য বইটিতে। নাম ভাবসম্প্রসারণ। এখানে অসমাপ্ত কথা ও ভাষাভঙ্গির ভাব ব্যাখ্যা করেছেন। তার মূল বিষয়বস্তু বাঙালির দর্শন চর্চার প্রকৃতি। বাঙালির উৎকর্ষতা কিংবা এগিয়ে যাওয়ার ইতিহাস নয়, ভূগোলও নয় দর্শনের কথা বলা হয়েছে। একদম শেকড়ে যেভাবে প্রবেশ করা যায়। মূল অস্তিত্ব যেখানে বেড়ে ওঠছে। কেমন করে এতোটা সময় বাঙালি পার করে দিল। কোন কোন উপাত্তের ভিত্তিতে নিজেদের সংকটাপন্ন করে তুললো। ভুলগুলো কোথায়? এসমস্ত বিষয় নিয়ে গোঁসাই পাহলভী রচনা করেন 'বিপরীত রতাতুরাম', 'লালন সাঁইজীর তন্ত্রদর্শন যথা তন্ত্রের ইতিহাস', 'ভক্তিতত্ত্বের খসড়া বয়ান', 'কর্তার রূপ বা কীরূপে সাঁই বিরাজ করেন!' শব্দ নিয়ে সত্য ও সততামূলক কিছু গূঢ় কথা রয়েছে 'শব্দ' নামক পাঠে, এরপর শব্দ নিয়ে টুকরো টুকরো কিছু নোট 'শব্দতত্ত্ব বিষয়ক নোট'। এগুলো আমাদের ধ্যানের সাথে কিছুটা ভাব ও ভঙ্গি যোগ করেছে। কোথাও কোথাও দ্বন্দ্ব ও ভিন্নতার সূত্রগুলো ধরিয়ে দেবে। দ্বিমত সৃষ্টি হতে পারে যে কারোর মধ্যে, এতে করে সেগুলো নতুন মাত্রা নিয়ে তর্কে পৌঁছুতে পারবে। শেষের পর্বে ভক্তি, ভাব ও নিয়মতান্ত্রিকতার মধ্য দিয়ে চর্চার বিষয়ে গোঁসাই পাহলভী কথা বলেছেন ফকিরি ঘরানার দু'জন বিশিষ্ট খেরকাধারী সাধক নহির ফকির ও রওশন ফকিরের সাথে। এই সমস্ত কথাবার্তায় সাঁইজীর তন্ত্র-দর্শনের গূঢ় রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। সব কিছু আক্ষরিকঅর্থে গ্রহণ করার ফলে বাঙালির চিন্তা প্রকাশের যে ভাষা অর্থাৎ মেটাফরিক্যাল ল্যাঙ্গুয়েজ পাঠে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। এই বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরী। ভাবনাটা শুরু হয়েছে, চলমান রাখাটা কর্তব্যজ্ঞানের মধ্যে পড়ে। কীভাবে পুরনো কাসুন্দির (মেটাফিজিক্যাল ল্যাঙ্গুয়েজ) ভেতর বাঙালির ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রার নতুন ইশারা লুকায়িত আছে, সেই নতুন অবস্থানটি ব্যাখ্যা করতে চেয়েছেন গোঁসাই পাহলভী। তার সফলতা কামনা করছি। আশা করছি পাঠক নতুন নতুন মগ্নতা নিয়ে 'দ্য স্কুল অব গ্রেট নো'র চিন্তাচর্চা বুঝবার চেষ্টা করবেন। ধরবার চেষ্টা করবেন বাঙালির দর্শন চিন্তার নতুন দিগন্তটি। .. জয় হোক সকলের। মনিরুল মনির চট্টগ্রাম . গোঁসাই পাহলভী : জন্ম ০৩ অগস্ট ১৯৮৩ ঢাকা প্রকাশিত বই সংবিধিবদ্ধ সংবিধান (২০০৯) তথ্যচিত্র গোষ্ঠলীলা (২০১৪)
‘বই কিনুন, বই উপহার দিন’ সেই পুরনো সেøাগান আজও খড়িমাটি ধ্যানে রেখেছে। ‘সম্পর্কের বন্ধনে বই’ এই প্রতিপাদ্যকে পালন করে যেতে চাই। খড়িমাটি বই প্রকাশের রুচিশীল প্রতিষ্ঠান। লেখার মান, উৎকৃষ্ট মুদ্রণ, যুৎসই বাঁধাই নিশ্চিত করে বই প্রকাশ করা হয়। সাহিত্যের বিস্তারে বহুদূর যেতে চায়। অথই চিন্তা নিয়ে যে সমাজ এগোয়, সেখানে অগ্রনী হয়ে থাকতে চায়। ২০১৪ সাল থেকে নিয়মিত প্রকাশনায় এই পর্যন্ত ৪০০ বইয়ের অধিক প্রকাশিত হয়েছে। গল্প, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ-নিবন্ধ, গবেষণা, স্মৃতিকথা, নাটক, সিনেমা, চিঠিপত্র ও স্মারক-সম্মাননা গ্রন্থ বেরিয়েছে। দেশের ছাপাখানা ও প্রকাশনা শিল্পের অনন্য জায়গাটিকে সুদৃঢ় করতে আগ্রহী।