মৃণাল সেন : বিশ্বচলচ্চিত্রের সাহসী অভিযাত্রিক (২০২৫)
বিষয়: মৃণাল সেন
লেখক: শৈবাল চৌধূরী
প্রচ্ছদ: মনিরুল মনির
সংস্করণ: প্রথম
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১২০
ভাষা: বাংলা
আইএসবিএন: 978-984-97981-6-3
মৃণাল সেন উপমহাদেশের চলচ্চিত্রে বিতর্কিত ও সাহসী চলচ্চিত্রকার। কোনো কিছুকে পরোয়া না করে বীরদর্পে হেঁটে গিয়েছেন জীবন ও শিল্পের পথ ধরে। নির্ভীক এই চলচ্চিত্রকার বাংলা ও উপমহাদেশের চলচ্চিত্রকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন রাজনৈতিক সাহসিকতায় ও বিশ্বজনীনতায় একের পর এক ছবিতে। একই সঙ্গে আমাদের সামাজিক কুপমণ্ডুকতার দিকেও আঙুল তুলেছেন বারংবার।
এই গ্রন্থে মৃণাল সেনের শিল্পচেতনার ওপর যথাসম্ভব আলোকপাত করার চেষ্টা রয়েছে।
চলচ্চিত্র তাত্ত্বিক ও নির্মাতা ঈশ্বর চক্রবর্তী বলেন, 'মৃণাল সেনের ছবি ক্রমশ: যেন এক একটি ক্যাপসুলের মতো হয়ে উঠেছে, যার ক্ষুদ্র পরিসরের মধ্যে ধরা পড়েছে বিশ্ব সমাজের রূপ গুণ স্বভাব চরিত্র, মানুষের অগণিত জিজ্ঞাসা। শুধু বিষয় উৎকর্ষে না, তাঁর শিল্পের প্রসাদগুণও ক্রমশ: শৈলী আঙ্গিক প্রতিন্যাসের অমেয় শক্তি বিকশিত করেছে। তাঁর ছবিগুলি জীবন জগতে, চলচ্চিত্র জগতে, শিল্পের জগতে যেন দার্শনিক পরিক্রমা-ক্রমবিন্যাসে ক্রমপরিণতিতে যেন দিশারীর মতো। শিল্পী হিসেবে যেন তিনিও ক্রমশ: খুঁজে চলেছেন। তাঁর পথ, পথ রচনাও করে চলেছেন অনুসন্ধানকারীদের জন্য।'
.
শৈবাল চৌধূরী
জন্ম ১৫ জুন ১৯৬১, চট্টগ্রাম শহরে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা হিসাব বিজ্ঞান (সম্মান) ও অর্থ বিজ্ঞানে (স্নাতকোত্তর)।
তিনি ১৯৭৯ সাল থেকে চলচ্চিত্র সংসদ চর্চার সঙ্গে সংযুক্ত। সে সময় থেকেই লেখালিখির শুরু। মূল বিষয় চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্র সাহিত্যকে লেখার মূল ক্ষেত্র করে নিয়েছেন তখন থেকেই দায়বদ্ধতার সঙ্গে। দ্বিতীয় বিষয় সংগীত। এ পর্যন্ত প্রকাশিত গ্রন্থ আটটি। এর মধ্যে একটি সংগীত বিষয়ক।
চলচ্চিত্র নির্মাণেও নিয়োজিত। এ পর্যন্ত নির্মাণ করেছেন পাঁচটি
প্রামাণ্য চলচ্চিত্র: দীপ্ত পদাবলী (কবিয়াল ফণী বড়ুয়া), পোর্ট্রেট অফ এ ডান্সার (নৃত্যগুরু রুনু বিশ্বাস), বিনয়বাঁশী (লোকশিল্পী বিনয়বাঁশী জলদাস), বিস্মৃত অধ্যায় (মুক্তিযোদ্ধা বেগম মুশতারী শফী) এবং মেঠো পথের গান (লোকশিল্পী আবদুল গফুর হালী)।
প্রথম কাহিনীচিত্র ভূমিকম্পের পরে মুক্তি পেয়েছে ২০১৮ সালে। প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হিসেবে যুক্ত ছিলেন চট্টগ্রাম চলচ্চিত্র কেন্দ্রের সঙ্গে ১৯৯৩ সাল থেকে ২০১৭ পর্যন্ত। সভাপতি হিসেবে ছিলেন ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত। ২০২৩ সালের ৭ জানুয়ারি চট্টগ্রাম চলচ্চিত্র কেন্দ্র থেকে অবসর গ্রহণ করেন।
২০২৩ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠা করেন চট্টগ্রাম ফিল্ম ইনস্টিটিউট। বর্তমানে তিনি ইনস্টিটিউটের সভাপতি।
ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজ অফ বাংলাদেশের সহসভাপতি পদে ২০১২ সাল থেকে নিয়োজিত।
চলচ্চিত্র শিক্ষকতার সঙ্গেও সংযুক্ত। ২০১৪ সাল থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগে চলচ্চিত্র বিষয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত।
পুত্র জয়, কন্যা ঠুমরী ও স্ত্রী রিতাকে নিয়ে সুখী গৃহকোণ।