চর্মরোগের পঞ্চাশ (২০২৫)
বিষয়: স্বাস্থ্য চিকিৎসা
লেখক: ডা. প্রীতীশ বড়ুয়া
প্রচ্ছদ: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
সংস্করণ: প্রথম প্রকাশ ডিসেম্বর ২০২৪
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১১২
ভাষা: বাংলা
আইএসবিএন: 978-984-97981-7-0
চর্মরোগটি কি, কেন হয়েছে, প্রতিকার, প্রতিরোধ, কখন চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন কিছু না জেনেই অধিকাংশ মানুষ নিজে নিজেই চিকিৎসা শুরু করেন অথবা নানান টোটকা অপচিকিৎসার পর অনুমোদিত চিকিৎসকের কাছে আসেন আবার বিজ্ঞান সম্মত চিকিৎসা পরামর্শ অনেক সময় মেনে চলেন না। অনেকে মনে করেন চর্মরোগ মানেই গড়পড়তা এলার্জি, খাদ্য-সম্পৃক্ত কিংবা ছোঁয়াচে। দীর্ঘস্থায়ী চর্মরোগের নিয়মিত চিকিৎসা বা নিয়ন্ত্রণের উপদেশে থাকে প্রচণ্ড অনীহা। আর তাই এ সমস্ত বিষয়ে চর্মরোগ সম্পর্কে সচেতনতা আনার উদ্দেশ্যে এই বইটির অবতারণা।
সহজ ভাষায় জনসচেতনতামূলক তথ্য সমৃদ্ধ বইটি পাঠককে রোগ সম্পর্কে জানার সহায়ক হিসেবে কাজ করবে। এতে চর্মরোগের প্রাথমিক ধাক্কা সামলে প্রতিকার, প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেষ্ট হবে।
এই বইতে ৫০টি চর্মরোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যা সচরাচর সকলের মধ্যে দেখা যায়।
.
ডা. প্রীতীশ বড়ুয়া :
পেশায় চিকিৎসক প্রীতীশ বড়ুয়ার জন্ম ১৯৬৩ সালের ১৪ মে। বাবা রণধীর বড়ুয়া, মা আভাময়ী বড়ুয়া। শেকড় রাউজানের মহামুনি গ্রাম। শিক্ষক পিতার সুবাদে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেই কেটেছে শিশু ও কৈশোর কাল। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হতে চিকিৎসা বিজ্ঞানে স্নাতক। স্নাতকোত্তর যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া। স্ত্রী সুখু মুৎসুদ্দী, কন্যাত্রয়ী-উপমা, অনন্যা আর সুকন্যাকে ঘিরেই আবর্তিত তার পারিবারিক জীবন। লেখালেখির অভ্যাস ছিল ছোটবেলা থেকেই, তবে পেশাগত ব্যস্ততায় চাপা ছিল অনেকদিন। পাশাপাশি ছিল আলস্য আর অন্তর্মুখীতা। নিবন্ধের বই হিসেবে এটা দ্বিতীয় যাত্রা। একটা নিবন্ধের বই- চর্মরোগের পঁচিশ। সাথী ছিল আরেকটি কবিতার বই- আবার তুমি বাজাও বাঁশি। দুটোরই প্রকাশকাল ছিল ২০১৯।
২০২৪ সালে প্রকাশিত এই দ্বিতীয় প্রয়াস চর্মরোগের পঞ্চাশ হয়তোবা সম্পূর্ণ বা সামগ্রিক দাবি করা যাবে না। কিন্তু সীমিত বা সংকীর্ণ নয় বরং হতে পারে নতুন সম্ভাবনা জাগানিয়া। প্রীতীশ তা-ই চান।